সারাদেশ অ’চল করে দেওয়া হু’মকি হেফাজতের

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাস’চিব মামুনুল হক বলেছেন, ‘আর যদি আমার কোনো ভাইকে হ’ত্যা করা হয়, আবার যদি গু’লি চলে, আর যদি কোনো ভাইয়ের র’ক্ত ঝরে, তাহলে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পুরো বাংলাদেশ অচল করে দেওয়া হবে।’

তবু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর স’ঙ্গে মাঠে দেখা গেছে আওয়ামী পান্ডাদের। আমার শান্তিপ্রিয় ভাইদের ও’পর পু’লিশ-বিজিবি নির্বিচারে গু’লি ছু’ড়েছে। মধুগড়ের বর্ষীয়ান আলেম হেফাজতের নায়েবে আমির মাওলানা আবদুল হামিদ গু’লিবিদ্ধ হয়েছেন। এটা কলঙ্কজনক অধ্যায় রচনা করল। মনে রাখবেন, এভাবে গু’লি করে হেফাজতকে দমানো যাবে না, বরং আপনি আপনার গদি টেকাতে পারবেন না।

মামুনুল হক বলেন, হাটহাজারীতে, বি.বাড়িয়ায় আমার ভাইয়ের র’ক্ত পান করেছেন। নির্বিচারে গু’লি ছুড়ছেন। এরপরেও কি আপনাদের র’ক্ত পিপাসা মেটেনি? এভাবে গোটা বাংলাদেশের জনগণকে খু’ন করে আপনারা কি রামরাজত্ব চালাতে চান?

তিনি বলেন, আমরা শান্তিশৃঙ্খলার স’ঙ্গে কর্মসূচি পালন করছি। র’ক্ত ঝরিয়ে রাজপথ থেকে হেফাজত কর্মীদের সরানো-দমানো যাবে না। আবার যদি আমার কোনো ভাইয়ের র’ক্ত ঝরে, হ’ত্যা করা হয়, আর একটি যদি গু’লি ছোড়া হয়, তাহলে গোটা দেশকে অচল করে দেওয়া হবে।

মামুনুল হক বলেন, ক্ষ’মতাসীন দলের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন জায়গায় আ’গুন লাগিয়ে আমাদের আন্দোলনকে রাজনীতিকরণের চেষ্টা করছে। আওয়ামী লীগের কোনো কর্মসূচি ছিল না। কিন্তু আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হেফাজত সদস্যদের আ’ক্রমণ করে।

তিনি বলেন, আমাদের অনেক নেতাকর্মীকে গ্রে’প্তার করা হয়েছে। তাদের অবশ্যই আজ সন্ধ্যা নাগাদ মুক্তি দিতে হবে। ঢাকাসহ সারাদেশে হা’মলাকারীদের বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তাদের বি’রুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নিতে হবে। আমরা আমাদের নেতাকর্মীদের মৃ’ত্যুর প্র’তিশোধ চাই। আমরা এই হ’ত্যার বিচার চাই। আমরা যদি এই র’ক্তপাতের ন্যায়বিচার না পাই তবে আগামী দিনগুলোতে আরও ক’ঠোর আন্দোলন হবে।

কোথাও কোনো গাড়িতে আ’গুন দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন মামুনুল হক। তিনি নেতাকর্মীদের বিশৃঙ্খল না করার জন্য ও বহিরাগতদের ফাঁ’দে পা না দিয়ে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানান।বি’ক্ষো’ভ কর্মসূচিতে আরো বক্তব্য রাখেন মুফতি সাখাওয়াত হোসেন রাজি এবং জোনায়েদ আল হাবিব