রংপুরে ধ’র্ষণ মা’মলায় এ’এস’আই’য়ের বিরুদ্ধে অ’ভিযোগপ’ত্র

রংপুরের হারাগাছে স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রাহেনুল ইসলামসহ পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।

ঘটনার পাঁচ মাসের মাথায় গতকাল মঙ্গলবার হারাগাছ আমলি আদালতে ৩৬৭ পৃষ্ঠার আলাদা দুটি অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) রংপুরের পরিদর্শক ও মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম এই অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পিবিআইয়ের রংপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) এ বি এম জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পাঁচ আসামিই কারাগারে আছেন বলে জানা গেছে।

অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, প্রেমের ফাঁদে ফেলে গত বছরের ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় হারাগাছের বাহারকাছনা মাস্টারপাড়া এলাকায় দশম শ্রেণির ছাত্রীটিকে ধর্ষণ করেন রাহেনুল। পরে মেয়েটিকে বাড়ি পৌঁছে দেন।

পরদিন ১৯ অক্টোবর সকালে বাবুল হোসেন ও আবুল কালাম আজাদ মিলে মেয়েটিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন।

এ ঘটনায় একই বছরের ২৬ অক্টোবর রংপুর মেট্রোপলিটন ডিবি পুলিশের এএসআই রাহেনুলসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলা করেন মেয়েটির বাবা।

পরে রাহেনুল, মেঘলা, সমাপ্তি, বাবুল ও আজাদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। একই সঙ্গে রাহেনুলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে পিবিআই মামলাটির তদন্তভার পায়। রিমান্ড শেষে আদালতে দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন বাবুল ও আজাদ।

আসামিদের জবানবন্দি, জব্দ করা আলামতসহ ডিএনএ পরীক্ষায় গণধর্ষণের বিষয়টি প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়।

স্কুলছাত্রী সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলা রংপুরে এএসআইসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র রংপুর অফিস রংপুরের হারাগাছে স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রাহেনুল ইসলামসহ পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।

ঘটনার পাঁচ মাসের মাথায় গতকাল মঙ্গলবার হারাগাছ আমলি আদালতে ৩৬৭ পৃষ্ঠার আলাদা দুটি অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) রংপুরের পরিদর্শক ও মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম এই অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পিবিআইয়ের রংপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) এ বি এম জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পাঁচ আসামিই কারাগারে আছেন বলে জানা গেছে।

অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, প্রেমের ফাঁদে ফেলে গত বছরের ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় হারাগাছের বাহারকাছনা মাস্টারপাড়া এলাকায় দশম শ্রেণির ছাত্রীটিকে ধর্ষণ করেন রাহেনুল। পরে মেয়েটিকে বাড়ি পৌঁছে দেন।

পরদিন ১৯ অক্টোবর সকালে বাবুল হোসেন ও আবুল কালাম আজাদ মিলে মেয়েটিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন।

এ ঘটনায় একই বছরের ২৬ অক্টোবর রংপুর মেট্রোপলিটন ডিবি পুলিশের এএসআই রাহেনুলসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলা করেন মেয়েটির বাবা।

পরে রাহেনুল, মেঘলা, সমাপ্তি, বাবুল ও আজাদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। একই সঙ্গে রাহেনুলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে পিবিআই মামলাটির তদন্তভার পায়। রিমান্ড শেষে আদালতে দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন বাবুল ও আজাদ।

আসামিদের জবানবন্দি, জব্দ করা আলামতসহ ডিএনএ পরীক্ষায় গণধর্ষণের বিষয়টি প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়।