বিতর্কিত মন্তব্য করে কটাক্ষের শিকার নুসরাত

দীর্ঘদিন ধরে ভারতের অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ নিয়ে কট্টর হিন্দুত্ববাদীরা বিরোধিতা করে আসছিলো। তবে ৫ আগস্ট অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে সম্পন্ন হলো অযোদ্ধা রাম মন্দিরের ভূমি পূজা! এটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বইছে নিন্দার ঝড়। কিন্তু ধর্মীয় বিতর্ককে প্রশ্রয় না দিয়ে ফের বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন কলকাতার অভিনেত্রী নুসরাত জাহান।
এদিকে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে চলা আইনি টানাপোড়েন, তার আগেও পাঁচ দশক ধরে চলে আসা ঐতিহাসিক বিতর্কে সুপ্রিম কোর্টের রায় কিন্তু পুরোপুরি ইতি টানতে পারেননি। তবে বুধবার (৫ আগস্ট) সফলভাবে ভূমি পূজা হলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় এখনও অব্যাহত বিতর্ক। কট্টর হিন্দুত্ববাদের চাওয়া অযোধ্যায় নির্মিত হবে রাম মন্দির, অন্যদিকে আপামর জনতা চান বাবরি মসজিদের ঐতিহ্য মুসলিমদের কাছে ফিরে দেওয়া হোক। কিন্তু এসবে দাঁড়ি টেনে কলকাতার অভিনেত্রী-সাংসদ জানিয়ে দিলেন মসজিদ ও মন্দির দুটোই চান তিনি।
এদিন বলিউড নির্মাতা ফারাহ খান একটি টুইট করেন। তিনি সেখানে লেখেন, মসজিদ কিংবা মন্দিরকে সমর্থন করা মানে যে কোনো একটিকে বেছে নিতে হবে কেন? আমি দুটোকেই সুন্দর ধর্মীয় স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে দেখি। এখন এসবে রাজনীতি কেন? আমরা ভালো সবকিছুই হারিয়ে ফেলছি!’

ফারাহ খানের কথার সুর ধরে নুসরাত জাহান নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘আমি মসজির ও মন্দির দুটোই বেছে নিলাম।’ অভিনেত্রীর এমন পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই নেটদুনিয়াই শুরু হয়ে গেছে শোরগোল। নেটিজেনরা নানা মন্তব্য করছেন নায়িকার পোস্টে।

নুসরাতের ওই পোস্টে একজন লিখেছেন, ‘ধরি মাছ না ছু্ঁই পানি। ম্যাডাম আপনি একুলেও থাকতে চান ওকুলেও! অন্তত সাহস করে নিজের ধর্মের কথা বলুন। ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ভেঙ্গে রাম মন্দির হচ্ছে, সে বিষয়ে কথা বলুন। লজ্জা থাকা দরকার আপনার। সব জায়গাতেই রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চান!’ এ ধরনের আরো নানা মন্তব্যে ভরে গেছে নুসরাতের ওই পোস্ট। আবার কেউ কেউ বলছেন, সম্প্রীতির বার্তা দিচ্ছেন নায়িকা। যদিও এই তত্ত্বের সঙ্গে অমত অনেকেই।