পুরুষের যৌ’ন স’মস্যা স’মাধানে প’রামর্শ

যৌন রোগে আক্রান্ত একজন ব্যক্তি যৌন মিলনের সময় এই রোগগুলি তার যৌন সঙ্গীর দেহে সংক্রমিত করে। এ কারণেই এগুলিকে যৌন সংক্রমিত রোগ বলা হয়। অনেক জায়গায়, বিপুল সংখ্যক তরুণ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। তবে আমাদের দেশ এর মানুষ যৌন রোগে আক্রান্ত হলেও এ বিষয়টা সহজে কারো কাছে বলতে চায় না এমনকি চিকিৎসকের কাছে পর্যন্ত অনেক বিষয় গোপন করেন। এটা করা কখনও উচিত নয়।

যৌন রোগের লক্ষণ:-

পুরুয় এর লিঙ্গ থেকে ১ প্রকার নিঃসরণ দেখা যায় যা সাদা বা হলুদ (হালকা হলুদ) জাতীয় পদার্থ এবং প্রসাব এর সময় সাধারণত ব্যথা হয়। সাথে আরো মনে রাখতে হবে যৌন রোগী যৌন সঙ্গম এর মাধ্যমে সঙ্গী এর দেহে রোগ সংক্রমিত করে।
এই সব রোগ যাদের আছে অনেক সময় তারা তা জানে না অথবা এ রোগ এর প্রতি কোন নজর দেয় না।
একাধিক সঙ্গী এর সাথে যৌন সঙ্গম করলে এসব রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

যৌনাঙ্গ যদি প্রতিদিন, বিশেষ করে প্রত্যেক সঙ্গম এর পর পরিষ্কার করা না হয়, তাহলে যৌন রোগ এর ঝুঁকি বেড়ে যায়।
কনডম এর সঠিক ব্যবহার অনেক ক্ষেত্রে যৌনরোগ প্রতিরোধ করে।

যৌন রোগ প্রতিরোধ:-

যৌন রোগ প্রতিরোধ এর জন্য সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটা দরকার সেটা হলো যৌবন এর শুরুতেই তরুনদের এ বিষয়ে জ্ঞান লাভে সহায়তা করা । তরুন যুবকদের থেকে শুরু করে বয়স্ক সবাইকে সচেতন করে তুলতে হবে নানা প্রকার যৌন রোগ হওয়ার কারণ এবং এগুলির মারাত্মক পরিনতি সম্পর্কে। আরো যা যা করতে হবে:-

যাদের বেশি যৌন সঙ্গী আছে তাদের সাথে সঙ্গম এড়িয়ে চলতে হবে।
সব সময় সাবান ও পানি, বিশেষ করে যৌন সঙ্গম এর পর যৌনাঙ্গ ধুয়ে পরিষ্কার রাখতে হবে।

রোগী এর যৌন সঙ্গীর চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে এই রোগ অন্যদের মধ্যে না ছড়ায়।
কনডম ব্যবহার করতে বলতে হবে।
কেউ যদি মনে করে তার যৌন রোগ আছে তাহলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পরীক্ষা এবং চিকিৎসা করানো উচিত। শুরুতে যৌন রোগ এর চিকিৎসা করা সহজ, পরে চিকিৎসা করা কঠিন।

যথাযথ ও তাড়াতাড়ি চিকিৎসা না হলে যা ঘটতে পারে:-

সংক্রমনের চিকিৎসা যদি তাড়াতাড়ি না হয়, তাহলে তা যৌনাঙ্গ এর বাহির থেকে যৌনাঙ্গ এর ভিতর প্রবেশ করবে। মহিলাদের বেলায় এটা জরায়ু টিউব ও ডিম্ব কোষ এবং পুরুষ এর বেলায় অন্ডকোষ আক্রমন করবে। এটা প্রথম দিকে সাংঘাতিক অসুস্থতার কারণ হতে পারে এবং পরবর্তী সময়ে মহিলা বন্ধ্যা হয়ে যেতে পারে অথবা পুন: পুন: গর্ভ নষ্ট হতে পারে অথবা মৃত বাচ্চা প্রসব করতে পারে।