পদ্মায় তীব্র ভাঙ্গন, শিবচরে স্কুল নদীগর্ভে

কয়েক দিন ধরেই পদ্মার পানি বিপদ সীমার ৬০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সাথে রয়েছে তীব্র স্রোত। স্রোতের ভয়াবহতায় সব চেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে পদ্মা নদী তীরবর্তী অঞ্চল। গতকাল বিকালে পদ্মার ভয়াবহ ভাঙ্গনে মাদারীপুরের শিবচরে বন্দর খোলা ইউনিয়নের নুরুদ্দিন মাদবরের কান্দি গ্রামের এস.ই.এস.ডি.পি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মুহূর্তেই নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

বিদ্যালয়টি ছিল চরাঞ্চলের মানুষের শিক্ষার একমাত্র বাতিঘর। ইতোমধ্যে আরো দুইটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ ৫শতাধিক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলিন হয়েছে। আর এসব অঞ্চলে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে ১০ হাজারেরও বেশি পরিবার।

তলিয়ে যাওয়া স্কুলটির প্রধান শিক্ষক আবজাল হোসেন জানান, বর্তমানে স্কুলটিতে সাড়ে তিন শত শিক্ষার্থী রয়েছে। বিদ্যালয়টি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় আমরা শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনিশ্চিতের মধ্যে পড়েছি।

শিবচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউএনও আসাদুজ্জামান জানান, পানিবন্দী মানুষের মাঝে প্রথম দফায় ত্রাণ বিতরণের কাজ শেষে হয়েছে। ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ৬০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। আমরা আশা করছি ঈদের আগেই দ্বিতীয় দফা ত্রাণ বিতরণের কাজ শুরু হবে।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পার্থ প্রতিম সাহা বলেন, মাওয়া পয়েন্টের তথ্য মতে- পদ্মার পানি বিপদ সীমার ৬০ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ভাঙ্গন রোধে আমাদের জিওব্যাগ ডাম্পিং এর কাজ চলমান রয়েছে। তবে পানি বৃদ্ধির কারণে কাজ কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। আমরা ভাঙ্গন রোধে ইতিমধ্যে বেশে কিছু পদক্ষেপ হাতে নিয়েছি।