ছা’ত্রীর স্তনে শিক্ষকের একাধিক বে’ত্রাঘাত, হা’সপাতালে শিক্ষার্থী-”বিস্তারীত ভিতরে”

জুমবাংলা ডেস্ক ক্লাসে পড়া না পারায় নিজ হাতে ছাত্রীর ইউনিফর্ম তুলে স্পর্শকাতর জায়গায় বেত্রাঘাত করেছেন এক শিক্ষক। পরে লজ্জায় অপমানে আত্মহ’ত্যার চেষ্টা করেছে ওই ছাত্রী। এমনই এক ঘটনা ঘটেছে রাঙামাটি মডেল কেজি স্কুল অ্যান্ড কলেজে।শিক্ষার্থীরা জানায়, মঙ্গলবার ক্লাসে পড়া দিতে ভুল করেছিল ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী।

সেদিন অনেকেই পড়া দিয়ে ব্যর্থ হয়েছিল।শিক্ষক আতাউর রহমান মোটা বেত এনে সবাইকে পিটিয়েছিলেন। আতাউর ওই ছাত্রীর ইউনিফর্ম নিজ হাতে তুলে স্পর্শকাতর জায়গায় বেত্রাঘাত করেছিলেন।ছাত্রীরা জানায়, আতাউরের আচরণ আগে থেকেই ছিল অশালীন। প্রায়ই তিনি ওই ছাত্রীকে বলতেন ‘

এমন জায়গায় মারবো কাউকে দেখাতে পারবি না।’ঘটনার পর লজ্জায় অপমানে বাসায় ফিরে মাকে ঘটনাটা জানিয়েছিল। মা গিয়ে স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক জিল্লুর রহমানকে ঘটনাটি জানান। কিন্তু ফল হয় উল্টো। সহকারী প্রধান শিক্ষক মেয়েটির ঘাড়েই দোষ চাপান। তার সঙ্গে যোগ দেন স্কুলেরশিক্ষিকা ফারজিয়া বেগম ও স্কুলের আয়া। এ দুজন মা-মেয়ের সামনেই অশ্লীল সব কথাবার্তা বলতে লাগলেন।

এ দৃশ্য সহ্য করতে পারেনি অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়াওই ছাত্রী। রাগে-ক্ষোভে স্কুলের ছাদে গিয়ে সেখান থেকে লাফিয়ে পড়ে সে। এখন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে শয্যাসায়ী ছাত্রীটি। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার ইংরেজির শিক্ষক আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হলেও এখনো গ্রেফতার হননি তিনি।

ছাত্রীর পরিবার জানাচ্ছে, মামলা নিতে পুলিশ শুরুতে গড়িমসি করেছিল। পরে ঢাকা থেকে কয়েকজন মানবাধিকার কর্মীর প্রচেষ্টায়পুলিশ মামলা নিলেও যৌন হয়রানির ঘটনা ধামাচাপা দিতে মামুলি ধারায় মামলাটি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।