চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদুল আজহা ১ আগস্ট

অনেক জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অনুশীলন শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সদস্যরা। নভেল করোনাভাইরাসের মহামারির কারণে সেই মার্চের শেষ থেকেই দেশের অন্যান্য ক্রীড়ার মতো ক্রিকেটের যাবতীয় কার্যক্রমও বন্ধ ছিল। অবশেষে অবসান ঘটতে যাচ্ছে অপেক্ষার; শুরু হচ্ছে অনুশীলন।

আগামীকাল রোববার থেকে ঢাকাসহ একযোগে চার শহরে শুরু হবে টাইগারদের অনুশীলন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আজ বিকেলে অনুশীলের প্রক্রিয়াসহ সূচি প্রকাশ করেছে। তবে শুধু ঢাকাতেই ব্যাটিং-বোলিং অনুশীলন করতে পারবেন ক্রিকেটাররা। বাকি শহরগুলোতে শুধু রানিং ও জিম করতে হবে।

ঢাকায় মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ইনডোরে ও একাডেমিতে কাল থেকে অনুশীলন শুরু করবেন চার ক্রিকেটার; মুশফিকুর রহীম, মোহাম্মদ মিথুন, ইমরুল কায়েস ও শফিউল ইসলাম। তারা পর্যায়ক্রমে রানিং-জিম সেশন করে ব্যাটিং-বোলিং অনুশীলনও করবেন।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুশীলন করবেন খালেদ আহেমদ ও নাসুম আহমেদ। খুলনায় শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে অনুশীলন করবেন মেহেদী হাসান ও নুরুল হাসান সোহান। চট্টগ্রামে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে একমাত্র নাঈম হাসানই অনুশীলন শুরু করবেন। সিলেট, খুলনা ও চট্টগ্রামে ক্রিকেটারদের শুধু রানিং ও জিম সেশনের অনুমতি দিয়েছে বিসিবি।

আগামীকাল থেকে শুরু হয়ে এই অনুশীলন চলবে ২৬ জুলাই পর্যন্ত। মাঝে একদিন শুক্রবার বিরতি রয়েছে। ঢাকায় প্রতিদিন ৯টা থেকে শুরু হয়ে ১২টা ৪০ পর্যন্ত অনুশীলন চলবে। সিলেট ৯টা থেকে ১২টা, খুলনায় ৯টা থেকে ১১টা ৩০ ও চট্টগ্রামে ১০টা ৩০ থেকে ১১টা ৩০ পর্যন্ত অনুশীলন চলবে।

করোনাকালে ক্রিকেট ফেরানোর জন্য বদ্ধপরিকর বিসিবি গণমাধ্যমের জন্যও কঠোর নিয়মকানুন বেঁধে দিয়েছে। সাংবাদিকরা দূর থেকে শুধু ফুটেজ ও ছবি নিতে পারবেন। অনুশীলনের আগে কিংবা পরে কোনো ক্রিকেটারদের সাক্ষাৎকার নেওয়া যাবে না। এ ছাড়া মাঠে ঢুকতেই তাপমাত্রা পরীক্ষা ও হাত ধুয়ে সুরক্ষিত হয়ে প্রবেশ করতে হবে। সাংবাদিকদের নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করার জন্যও অনুরোধ জানিয়েছে বিসিবি।

এই মহামারির মধ্যেই ইংল্যান্ডই প্রথম ক্রিকেট চালু নিয়ে তোড়জোড় শুরু করে। তার সফলও হয়েছে। কোনো ধরণের সমস্যা ছাড়া জৈব সুরক্ষিত পরিবেশে গত ৮ জুলাই থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একটি টেস্টও খেলে ফেলেছে দেশটি। এখন চলছে দ্বিতীয় টেস্ট। এরমধ্যেই পাকিস্তান দল অবস্থান করছে ইংল্যান্ডে। ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন শেষে পাক ক্রিকেটাররা অনুশীলনও শুরু করে দিয়েছেন।