ঘুম কম হলে ত্বকে যে সমস্যা দেখা দিতে পারে

রাতে পর্যাপ্ত ঘুম হলে তা শুধু শরীরকে ভালো রাখে না, পাশাপাশি সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করতে পারে। কিন্তু ঘুমের অভাব সৌন্দর্যে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। ঘুমের অভাব হলে কিছু লক্ষণ মুখে ফুটে ওঠে, যেমন—চোখে-মুখে ক্লান্তির ছাপ, চোখের নিচে কালি ইত্যাদি।

স্বাস্থ্য ও জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মন ও শরীর চাঙা করার জন্য উপযুক্ত উপায় হলো ঘুম। ভালো ঘুম হলে ত্বকও পুনরুজ্জীবিত হয়ে ওঠে। তবে ঘুমের সমস্যা ত্বককে প্রভাবিত করতে পারে এবং ব্রণ, ত্বক শুকিয়ে যাওয়া, ত্বকে অ্যালার্জি ইত্যাদির মতো বিভিন্ন সমস্যা বাড়াতে পারে।

ত্বকের উজ্জ্বলতা হারায়

ঘুমের অভাব করটিসলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। এটি একটি হরমোন, যা ত্বকে প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং ত্বককে নির্জীব করে তোলে। যখন পর্যাপ্ত ঘুম না হয়, তখন ত্বক উজ্জ্বলতা হারিয়ে ফেলে এবং নির্জীব ও শুষ্ক হয়ে যায়।

ব্রণ, পিম্পল হতে পারে

ঘুমের অভাবের আরো একটি বড় প্রভাব হলো ত্বকে ব্রণ, পিম্পল ইত্যাদি হওয়া। ঘুমের অভাব প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয় এবং এর ফলে ত্বকে ব্রণ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াগুলো বাড়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। এ ছাড়া ঘুমের অভাবে ত্বকের প্রদাহ বৃদ্ধি পায়।

ত্বকের বার্ধক্য বাড়ে

ত্বককে সতেজ করতে এবং স্বাস্থ্যকর রাখতে সঠিক ঘুম জরুরি। কম ঘুম ত্বকে কোলাজেনের উৎপাদন হ্রাস করে এবং ত্বকের বার্ধক্যজনিত লক্ষণগুলো ফুটে উঠতে পারে।

শুষ্ক ত্বক

সঠিক ঘুম হলে শরীর হাইড্রেটেড থাকে এবং যদি সঠিক ঘুম না হয় তবে ত্বক শুষ্ক হতে পারে এবং ত্বকে নানা সমস্যা দেখা দেয়।

চোখের নিচে কালি

চোখের নিচের এলাকাটি বেশ সংবেদনশীল এবং এটি সহজেই আক্রান্ত হয়। ঘুমের অভাবে সর্বাধিক দৃশ্যমান প্রভাবগুলো সাধারণত চোখের নিচের অংশে প্রতিফলিত হয়। চোখের নিচে কালি বেশি দেখা যায়।

ওজন বৃদ্ধি

গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমের অভাব আমাদের স্থূলত্বের দিকে পরিচালিত করে। কারণ, ঘুমের অভাব আরো বেশি ক্ষুধার্ত করে তোলে। ফলে ওজন বাড়তে পারে।