ইসমে আজম কী এবং ইসমে আজম কোনটি?

নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ।
আপনার জিজ্ঞাসার ২৫০৫তম পর্বে ইসমে আজম কী এবং ইসমে আজম কোনটি, সে বিষয়ে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন সাকিবুল হাসান। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া।
প্রশ্ন : ইসমে আজম কী এবং ইসমে আজম কোনটি?

উত্তর : রাসুল (সা.) বলেছেন, ইসমে আজম বা মহান কোনো নাম, যদি কোনো ব্যক্তি এ নাম দিয়ে দোয়া করে থাকেন, তাহলে আল্লাহ তাঁর দোয়া কবুল করেন। রাসুল (সা.) এ হাদিসের মধ্যে কোনটি ইসমে আজম, সেটি নিশ্চিত করেননি। বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনার দাবি রাখে। এখানে শুধু তিনটি পয়েন্ট আলোচনা করব।

একটি হলো, বেশির ভাগ ওলামায়ে কেরামের বক্তব্যমতে, ইসমে আজম হচ্ছে, আল্লাহতায়ালার নাম। পরিপূর্ণতার যতগুলো বৈশিষ্ট্য আছে, সব বৈশিষ্ট্য এর মধ্যে আছে। তাই একদল ওলামায়ে কেরাম বলেছেন যে এটাই ইসমে আজম।

দ্বিতীয়ত হলো, আরেক দল ওলামায়ে কেরাম বলেছেন, আর রহমান, আর রাহিম এটা ইসমে আজম। যেহেতু কোরআনুল কারিমে আল্লাহ একটি ইসমের মাধ্যেমে তাঁর পরিচয় করে দিয়েছেন।

এরপর আরেক দল ওলামায়ে কেরাম বলেছেন, আল হাইয়্যুল-কাইয়্যুম, এটা হলো ইসমে আজম। যেহেতু আল্লাহ তাঁর সত্তার মহিমান্বিত দিকগুলো যখন তুলে ধরেছেন, তখন কোরআনুল কারিমের মধ্যে এ তিনটি আয়াতে এ কথা দিয়ে আল্লাহ পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন।

তবে নবী (সা.) দোয়ার ক্ষেত্রে যে দুটি জিনিস প্রাধান্য দিতেন সেটি হলো, ইয়া জালজালালি ওয়াল ইকরাম এবং ইয়া ইইয়্যু ইয়া ক্বাইয়্যুম বিরহমাতিকা আস্তাগিছ। অনেকে এ কথা বলেছেন যে এটা ইসমে আজম, এ জন্য রাসুল (সা.) এটাকে বেশি প্রাধান্য দিতেন। আলেমরা এ ব্যাপারে ১৪টি পয়েন্ট উল্লেখ করেছেন, তার মধ্যে আমি তিনটি পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করলাম।